শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য ঠিক নয়, বেশিরভাগ বাঙালি: মিয়ানমার দোকানের টাকা চাওয়ায় বাংলাদেশি যুবককে গুলি করলো এক রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা যুবকের জালিয়াতিতে মৃত্যুদণ্ড সোনা মিয়ার, কারামুক্ত হয়ে বললেন ‘জীবনটা নরক হয়ে গেছে’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৭ বিএনপির মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের বিপক্ষে আর কখনও এত কম রানে অলআউট হয়নি অস্ট্রেলিয়া শাড়িকাণ্ড /আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা কক্সবাজারসহ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস পরকালে আপনজন থেকে পালাবে মানুষ কক্সবাজারে মৃত্যুদন্ডের আসামী নিয়ে ‘আয়নাবাজি’

শহরে টিলেঢালা লকডাউন, অলিগলিতে বাড়ছে ভিড়

বলরাম দাশ অনুপম:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপি চলছে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন। আজ সেই লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিন। শহরের প্রধান সড়কে এই লকডাউন টিলেঢালা
ভাবে চললেও অলিগলিতে যেন লকডাউন ভাঙ্গার হিড়িক পড়েছে। শহরের প্রায় সব অলিগলিতে সকাল থেকে রাত অবধি দেখা যাচ্ছে ভিড় আর আড্ডাবাজি। প্রায় এলাকায়
খোলা রয়েছে সকল ধরণের দোকানপাট। এদের অনেকেই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি আবার বেশির ভাগ মানুষের মুখে নেই মাস্ক। সর্বাত্মক লকডাউনে সরকারের দেয়া নির্দেশনা উপেক্ষা করে কারণে-অকারণে মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছেন। তবে যখনই ম্যাজিষ্ট্রেট কিংবা পুলিশের উপস্থিতিতে দেখতে পাই তখনই সড়ক ফাঁকা করে বিভিন্ন স্থানে চলে যায় এসব মানুষ। অনেকে ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে নানা
অজুহাত দেখানোর চেষ্টা করে। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের প্রধান সড়ক, গোলদিঘীর পাড়, বাহারছড়া, বড় বাজার, হাসপাতাল সড়ক, টেকপাড়া, কালুর দোকান, রুমালিয়ারছড়া, তারাবনিয়ার ছড়া, ঘোনারপাড়া, বৈদ্যঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র দেখা গেছে। শহরের প্রধান সড়ক ও উপ-সড়কে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক (টমটম), ব্যাটারি চালিত রিক্সা, সিএনজিসহ বিভিন্ন যানবাহন চলছে নিয়মিত ভাবেই। তবে যাত্রীবাহি কোন গণপরিবণ চলছে না।

এদিকে দুপুর গড়ালেই অলি-গলিগুলো হয়ে উঠছে ভরা হাটবাজার। শুধু মানুষ আর মানুষ। সোমবার দুপুরে আড্ডারত অবস্থায় গোলদিঘীর পাড় চত্ত্বরে কথা হয়
কয়েকজন যুবকের সাথে। তারা এই প্রতিবেদককে জানান, সারাদিন বাসায় বসে থাকতে ভালো লাগে না বলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে ক্ষণিকের জন্য বাইরে বের
হয়েছেন। এখন কলেজও বন্ধ, পড়াশোনার চাপ নেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত সবাই একসঙ্গে ঘুরবেন। ইফতারের আগে বাসায় ফিরবেন। এসময় অনেককে দেখা গেছে মুখে মাস্ক
ছাড়া। মাস্ক না পড়ার বিষয়ে অনেকে জানান, মাস্ক পওে কি হবে। করোনা হওয়ার থাকলে এমনেই হবে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ও অলি-গলিতে মানুষের জটলা।

সম্পর্কে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুনীর উল গীয়াস জানান, যতক্ষণ পুলিশের উপস্থিতি থাকে ততক্ষণ মানুষ সচেতন থাকে, ঘুরাফেরা করে না। পুলিশ চলে যাওয়ার পর ঠিক আগের অবস্থায় চলে যায়। যদি মানুষ নিজেরা সচেতন না হয় তাহলে কারো পক্ষে তাদের শতভাগ সচেতন করে তোলা সম্ভব নয়। তবুও যাতে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত না হয়, সে ব্যাপারে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। সবসময় মাইকিংসহ টহল দিচ্ছে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION